মিনি ল্যাপটপ এর দাম
Compare 20 products
Types: ল্যাপটপ পুরাতন ল্যাপটপ পিসি বিল্ডার ডেস্কটপ পিসি মিনি পিসি গ্রাফিক্স ট্যাবলেট সিগনেচার প্যাড স্টাইলাস পেন ট্যাবলেট সার্ভার সার্ভার র্যাক কম্পিউটার মেরামত More ▾
test set color 2
৳ 300
FF-21 Grinder
৳ 220,167 ৳ 222,222
Dell Latitude 3190 Pentium N5030 11.6" Touch Laptop
৳ 14,499 ৳ 17,500
Dell Latitude 3190 2-in-1 Pentium 9th Gen Touch Laptop
৳ 15,700 ৳ 16,500
HP EliteBook 820 G3 Core i5 6th Gen 8GB RAM
৳ 20,000 ৳ 26,000
Dell Latitude 7280 Core i7 7th Gen 128GB SSD Laptop
৳ 19,000 ৳ 25,000
sdsd
৳ 2,878 ৳ 3,000
Dell Latitude 5320 Core i5 11th Gen 13.3" FHD
৳ 44,000
HP ProBook X360 G4 EE Core i5 8th Gen 8GB / 128GB SSD
৳ 19,500 ৳ 22,500
HP ProBook 11 x360 G4 EE Core i5 8th Gen Touchscreen
৳ 19,000 ৳ 26,000
Dell Latitude 3190 Celeron N4120 128GB SSD
৳ 13,500 ৳ 17,500
NEC VersaPro Core i5 7th Gen 8GB RAM & 128GB SSD
৳ 20,000 ৳ 25,000
Lenovo ThinkPad 11E Yoga Pentium 7th Gen 12" Touch
৳ 13,000 ৳ 15,000
HP Pavilion x360 - 11m-ad113dx Touchscreen Mini Laptop
৳ 26,500 ৳ 34,500
HP ProBook 11 G2 Celeron 7th Gen 8GB RAM Laptop
৳ 14,500 ৳ 15,900
Acer TravelMate B intel Celeron N4100 4GB RAM
৳ 12,999 ৳ 13,500
Microsoft Surface Go 2 Pentium Gold 4425Y
৳ 30,000 ৳ 32,000
Microsoft Surface Go LTE 8GB RAM / 256GB SSD
৳ 35,000 ৳ 40,000
Microsoft Surface GO
৳ 25,000 ৳ 27,000
Microsoft Surface 3 LTE
৳ 22,000 ৳ 24,000
মিনি Laptop
মিনি ল্যাপটপ হচ্ছে ১০-১১ ইঞ্চি ডিসপ্লেযুক্ত, কমপ্যাক্ট ডিজাইন এবং হালকা ওজনের কম্পিউটিং ডিভাইস যা মূলত বহন সুবিধা বিবেচনা করে ডিজাইন করা হয়েছে। মিনি ল্যাপটপে কম্পিউটারের ন্যায় সকল ফিচারযুক্ত রয়েছে, যার ফলে ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেল, ডকুমেন্ট, মাল্টিমিডিয়া এবং ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের মতো কম্পিউটিং কাজগুলো সহজেই করা যায়। বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপগুলো নেটবুক এবং আলট্রা পোর্টেবল ল্যাপটপ নামেও পরিচিত। তাছাড়া, অনলাইন ক্লাস, বিনোদন এবং দূরের মিটিংসহ অন্যান্য কাজে জন্য আদর্শ মিনি ল্যাপটপ।
বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপের দাম কত?
বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপের দাম ব্র্যান্ড, মডেল, স্পেসিফিকেশন এবং অতিরিক্ত ফিচার সমূহের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। মিনি ল্যাপটপ সাধারণত বড় ল্যাপটপ বা আল্ট্রাবুকের তুলনায় বেশি সাশ্রয়ী হয়। বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপের দাম ৭,৯০০ টাকা থেকে শুরু যা পুরাতন কন্ডিশনের হয়। এছাড়াও, আরও ভালো পারফরম্যান্সের জন্য বেশি স্টোরেজ সক্ষমতা, র্যাম এবং উন্নত ফিচারযুক্ত মিনি ল্যাপটপ ও পাওয়া যায়, যা বাংলাদেশে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়।
মিনি ল্যাপটপের সুবিধা কি?
১। মিনি ল্যাপটপ মূলত কমপ্যাক্ট ডিজাইন ও লাইট ওয়েট হওয়ায় ট্রাভেলার, ছাত্র-ছাত্রী কিংবা পেশাদারদের জন্য আদর্শ ল্যাপটপ।
২। সাধারণত বড় ল্যাপটপ ও ডেস্কটপের তুলনায় কম পাওয়ার খরচ করে, ফলে দীর্ঘসময় চার্জ ছাড়াই মিনি ল্যাপটপ ব্যবহার করা যায়।
৩। মিনি ল্যাপটপ খুবই কম জায়গায় ব্যবহার করা যায়, যার ফলে সীমিত ওয়ার্কস্পেসে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।
৪। ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট এডিটিং বা অডিও ভিডিওর মতো নির্দিষ্ট চাহিদা সম্পন্ন ব্যবহারকারীদের জন্য বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপ বাজেট-বান্ধব।
৫। ওয়াই-ফাই, ইউএসবি পোর্ট, অডিও জ্যাক এবং ওয়েবক্যাম রয়েছে মিনি ল্যাপটপে। যার ফলে মিনি ল্যাপটপ দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কনফারেন্সিং এবং অন্যান্য কাজ করা যায়।
বাংলাদেশে কোন কোন ব্র্যান্ডের মিনি ল্যাপটপ পাওয়া যায়?
বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে এবং নতুন ফিচার সমন্বয়ে মিনি ল্যাপটপ তৈরি করে থাকে। বাংলাদেশে আসুস, এসার, লেনেভো, এইচপি, ডেল এবং মাইক্রোসফটের মত জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মিনি ল্যাপটপ সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়।
মিনি ল্যাপটপে কি গেমিং করা যায়?
মিনি ল্যাপটপে সাধারণত পাজল, সুডুকু, পুরোনো কিছু ২ডি গেম সহ অনলাইনে ব্রাউজারে গেম খেলা যায়। আর এই ধরণের গেম খেলার জন্য হাই প্রসেসর কিংবা র্যাম সক্ষমতার প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া মিনি ল্যাপটপ সাধারণত বড় ল্যাপটপের তুলনায় কম শক্তিশালী প্রসেসর এবং ইন্টিগ্রেটেড গাফিক্স ব্যবহার করে।
মিনি ল্যাপটপের ব্যাটারি ব্যাকআপ কতক্ষণ পাওয়া যায়?
মিনি ল্যাপটপের ব্যাটারি ব্যাক-আপ মূলত ব্যবহারের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়ে থাকে। সাধারণ কাজ যেমন ওয়েব ব্রাউজিং, ডকুমেন্ট এডিটিং, অডিও ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে ৪ থেকে ৮ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাক-আপ পাওয়া যায়। এছাড়াও স্ক্রিনের ব্রাইটনেস, ওয়াই-ফাই, এবং ব্যাকগ্রাউন্ড এপ্লিকেশন ইত্যাদি অপ্টিমাইজ করে ব্যবহার করলে, মিনি ল্যাপটপ ব্যবহারে সর্বোচ্চ ১০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাক-আপ পাওয়া যাবে।
মিনি ল্যাপটপ কি পেশাগত কাজে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত?
ব্যবহারের নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তা এবং পছন্দের উপর নির্ভর করে মিনি ল্যাপটপ পেশাদার কাজে ব্যবহার করা যাবে। মিনি ল্যাপটপে সাধারণত ওয়ার্ড প্রসেসিং, ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেল এবং স্প্রেডশীটের মতো মৌলিক কাজগুলো সহজেই করা যায়। তবে বড় ল্যাপটপের তুলনায় মিনি ল্যাপটপে কাজের নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
মিনি ল্যাপটপে কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যায়?
মিনি ল্যাপটপে সাধারণত বড় ল্যাপটপের মতোই প্রায় সকল অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যায়। মিনি ল্যাপটপের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ। পাশাপাশি ক্রোম এবং লিনাক্স ওএস ও মিনি ল্যাপটপে ব্যবহার করা যায়।
মিনি ল্যাপটপে কি আলাদা মনিটর সংযোগ করা যায়?
মিনি ল্যাপটপ এর সাথে আলাদা মনিটর ব্যবহার করা যায়। বেশিরভাগ মিনি ল্যাপটপের সাথে এইচডিএমআই , ভিজিএ, ডিসপ্লে পোর্ট সহ বিভিন্ন ধরণের ভিডিও আউট পোর্ট যুক্ত রয়েছে। তবে মিনি ল্যাপটপ সাধারণত পুরাতন হওয়ায় আলাদা মনিটরের সাথে সংযোগের ক্ষেত্রে পোর্ট যাচাই করে ব্যবহার করা উচিত।
মিনি ল্যাপটপে র্যাম বা স্টোরেজ আপগ্রেড করা যাবে?
মিনি ল্যাপটপের র্যাম বা স্টোরেজ আপগ্রেড করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মডেল এবং ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে থাকে। তবে কিছু মিনি ল্যাপটপে সীমিত আপগ্রেড ফ্যাসিলিটি রয়েছে। বেশিরভাগ মিনি ল্যাপটপের পার্টস সমূহ মাদারবোর্ডের সাথে সোল্ডার করা থাকে, তাই আপগ্রেড করা যায় না। তাই বাংলাদেশে মিনি ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে আপগ্রেড ফ্যাসিলিটি রয়েছে কিনা যাচাই করে নেওয়া উচিত।